বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া, কাটাতে সময় লাগবে: অর্থমন্ত্রী

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ২২, ২০২৬ ৬:০৪ অপরাহ্ণ

দেশে এখন বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যে সংকট চলছে, তা আগের সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 
তিনি বলেছেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের চলমান সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়; আগের সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। তবে, পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সম্পদ কাজে লাগাচ্ছে।
একইসঙ্গে এ সংকট কাটাতে সময় লাগবে বলেও জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘২০২৬ অর্থবছরের দ্বি-বার্ষিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি; প্রেক্ষিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারিখাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে মজুতের অবস্থা খুবই নাজুক ছিল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৫ থেকে ১৭ দিনের মজুতও ছিল না। এখন তা এক মাসে উন্নীত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি খাতে তিন মাসের মজুত গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে। কারণ অর্থনীতির উন্নয়নে জ্বালানি নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা সমাধানে সময় লাগবে। সরকার সর্বাত্মক চেষ্টা করছে এবং প্রয়োজনীয় সম্পদ কাজে লাগাচ্ছে। তবে, সবকিছু সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। তাই শিল্প খাতকে এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিতে হবে। ধীরে ধীরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হবে।
জ্বালানি সংকটের কারণে ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, এর প্রভাব খেলাপি ঋণের ওপরও পড়ছে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পুনঃতফসিল ও গ্রেস পিরিয়ডসহ একটি প্যাকেজ দিয়েছে। যারা ব্যবসা থেকে বের হয়ে যেতে চান, তাদের জন্যও নীতিগত সুযোগ রাখা হয়েছে।
ব্যাংকিং খাতে মানসিকতার পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, কোনো ঋণ ব্যাংকের ব্যালান্সশিটে থাকলেও বাস্তবে যদি তা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তাহলে শুধু কাগজে ঋণ দেখিয়ে রাখার কোনো অর্থ নেই। ব্যাংকের ব্যালান্সশিট পরিষ্কার করে প্রকৃত তারল্য তৈরি করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই প্যাকেজ আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। যোগ্য হওয়ার পরও কোনো ব্যাংকে বাধার মুখে পড়লে বিষয়টি সরকারকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার একটি প্যাকেজ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আমির খসরু। তবে, অতীতে এ ধরনের অর্থায়নে অনিয়ম ও প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপের অভিযোগ ছিল বলে স্বীকার করে তিনি বলেন, এবার কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা পৃষ্ঠপোষকতার সুযোগ রাখা হবে না। আর্থিক খাতে রাজনৈতিক নিয়োগও দেওয়া হবে না। নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ করা ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদেরই ব্যাংকগুলোকে ঋণ দিতে হবে। আর্থিক খাতকে বাজারের নিয়মে পরিচালনা করতে হবে এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত ব্যাংকিং ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস

৭ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

মাগুরার সেই শিশুটিকে বাঁচানো গেল না

৩ ছাত্রকে বলাৎকার, মাদরাসা শিক্ষকের কক্ষে মিলল উত্তেজক ওষুধ

প্রকাশিত হলো ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল।

আমি নিতাই রায়ের সঙ্গে বসতে চাই না: যুবদল নেতা নয়ন

নচিকেতার জন্মদিন উপলক্ষে চঞ্চলের বিশেষ উপহার

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শপিংমল রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ, বিলবোর্ড ৭টায়

১৬ বছরে ভোট, ২৩ বছরে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব রাখবে এনসিপি