রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ, ফল প্রকাশের পর আফিয়ার প্রাপ্তি কী?

প্রতিবেদক
Ajker Dhara 24
অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ৮:২৭ অপরাহ্ণ

বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে শোকাতুর অবস্থায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন বেনাপোলের শিক্ষার্থী আফিয়া মাসুমা। জীবনের কঠিনতম মুহূর্তে নিজেকে সামলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সেই আফিয়া এবার ফলাফলে এ গ্রেড অর্জন করেছেন। তার এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও সহপাঠীদের মধ্যে আনন্দের পাশাপাশি আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) প্রকাশিত ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে এ গ্রেড পান তিনি। যশোরের শার্শা উপজেলার শার্শা উপজেলা কলেজের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুমা।

আফিয়া মাসুমা বেনাপোল পোর্ট থানার নামাজগ্রামের প্রয়াত আব্দুস সামাদের ছোট মেয়ে। তার বাবা আব্দুস সামাদ (৬৫) বেনাপোলের মেসার্স তাজমহল ট্রান্সপোর্ট ও হাজী মুছা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী ছিলেন। পাশাপাশি তিনি একজন আমদানিকারক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।

পরিবার ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ জুলাই সন্ধ্যায় বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন আব্দুস সামাদ। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। রাতে মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। স্বজনেরা যখন দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে যান মাসুমা।

বেনাপোল কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি। পরীক্ষা শেষে বাড়িতে ফিরে বাবার দাফনে অংশ নেন।

বাবার মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়লেও স্বজনদের পরামর্শে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মাসুমা। তাকে শেষবারের মতো বাবাকে দেখার সুযোগ দিতে দাফনের সময়ও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে তিনি স্বজনদের বলে যান, তাকে ছাড়াই যেন বাবার দাফন সম্পন্ন করা হয়। বাবাকে হারানোর গভীর শোক বুকে নিয়েই পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেন তিনি।

ফল প্রকাশের পর নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মাসুমা বলেন, বাবা সব সময় চাইতেন তার ফলাফল ভালো হোক। পরীক্ষার সময় বাবাকে হারানো ছিল তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্ত। বাবার স্বপ্ন পূরণের কথা ভেবেই নিজেকে সামলে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।

মাসুমা বলেন, ‘আমি আরও ভালো ফল করতে পারতাম। পরীক্ষার হলে লিখতে গিয়ে বারবার মৃত বাবার মুখ ভেসে উঠছিল। বাবা বেঁচে থাকলে এ ফল দেখে খুব খুশি হতেন। সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চাই।’

শার্শা উপজেলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. হাসানউজ্জামান জানান, মাসুমা শুরু থেকেই মেধাবী ও পরিশ্রমী শিক্ষার্থী। শিক্ষকদের প্রত্যাশা ছিল, সে ভালো ফল করবে। পরীক্ষা চলাকালে বাবার মরদেহ বাড়িতে রেখে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঘটনাটি তার মানসিক দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত জীবনের এত বড় শোক সামলে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে এ গ্রেড অর্জন করা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। তার ফলে কলেজের সবাই খুশি। বাবার মৃত্যু না হলে সে জিপিএ-৫ পেত বলেও শিক্ষকদের প্রত্যাশা ছিল। ভবিষ্যতেও মাসুমা সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বাবাকে হারানো যে কারও জন্যই অত্যন্ত কষ্টের। সেই শোক সামলে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে মাসুমার ভালো ফল করা আনন্দের সংবাদ।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন এ মেধাবী শিক্ষার্থীর পাশে থাকবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে তার পরিবারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা চাওয়া হলে সর্বোচ্চ সহায়তা করা হবে।

সর্বশেষ - শিক্ষাঙ্গন

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

হাসনাতরা আগে চড়তো সাইকেলে, গণঅভ্যুত্থানের পর চড়ে প্রাডো গাড়িতে: হামিম

সালমান শাহর ৩০তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার নতুন চক্রান্ত শুরু হয়েছে: মির্জা ফখরুল

নতুন সিনেমায় কবে দেখা যাবে ফারিণকে?

মুচলেকায় মুক্তি পেলেন মাহদী হাসানসহ ৩ জন

৭ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বিপিএল হচ্ছে না, ঘরোয়া ক্রিকেটে বাড়ছে ম্যাচ ফি

হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে ‘সমমনা ইসলামী দল’ নামে জোট গঠন

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে তিল পরিমাণ ছাড়ও দেওয়া হবে না : জামায়াত