রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

মোদির বাসভবনের পাশ থেকে ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ২৬, ২০২৬ ৮:১৮ অপরাহ্ণ

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের কাছে বসবাসকারী প্রায় ৭০০ পরিবারকে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লি হাইকোর্ট।
ওই বস্তির বাসিন্দাদের বর্তমান স্থান খালি করে সাভদা ঘেভরা নামক পুনর্বাসন কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য ছয় সপ্তাহের সময় দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি ডি কে উপাধ্যায় এবং বিচারপতি তেজস কারিয়ার ডিভিশন বেঞ্চ বাসিন্দাদের আপিলের প্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেন।
পুনর্বাসন প্রক্রিয়াটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সাবেক জেলা বিচারক মনমোহন শর্মার নেতৃত্বে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে আদালত।
এই কমিটি আগামী ৬ মাস পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার ওপর নজরদারি চালাবে এবং সরকার বস্তিবাসীদের যেসব সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা নিশ্চিত করবে। এছাড়া বস্তিবাসীদের মালপত্র সাভদা ঘেভরায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়তা করার জন্য দিল্লি আরবান শেল্টার ইমপ্রুভমেন্ট বোর্ডকে (ডিইউএসআইবি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বর্তমান বস্তি থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সাভদা ঘেভরায় স্থানান্তরের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বাসিন্দারা। তাদের দাবি, এতে তাদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়বে, কারণ তাদের অধিকাংশই বর্তমান বাসস্থানের আশেপাশে ছোটখাটো কাজ করেন। এছাড়া নতুন স্থানে স্কুলসহ অন্যান্য মৌলিক সুবিধার অভাব রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেন। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বর্তমান বস্তিটি সামরিক স্থাপনা সংলগ্ন হওয়ায় জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই উচ্ছেদ অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা বিবেচনায় রেখে স্পর্শকাতর এলাকায় এ ধরনের অননুমোদিত স্থাপনা জননিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। মূলত গত বছরের অক্টোবরেই এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু করেছিল সরকার।
তবে বস্তিবাসীদের ক্ষতিপূরণ ও যাতায়াত সুবিধার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে এক বছরের জন্য একটি বিনামূল্যে মেট্রো কার্ড দেওয়া হবে, যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে। পাশাপাশি এক বছরের জন্য পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে বিনামূল্যে বাস ভ্রমণের সুবিধা দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ৭ লোক কল্যাণ মার্গে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ওই বস্তিটি মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত মার্চে এক বিশেষ পদক্ষেপের মাধ্যমে বস্তির সকল বাসিন্দাকে পুনর্বাসনের যোগ্য হিসেবে বিবেচনা করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের কেন্দ্র সরকার।
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

মির্জা আজম ও স্ত্রীর ৩১ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ

উত্তাল দিল্লি, আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা

রাজস্ব বাড়লেও তৃতীয় প্রান্তিকে বিকাশের নিট মুনাফা কমেছে ২৫%

বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংসদীয় সহযোগিতা জোরদারে আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন : ইসি

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বিপিএল হচ্ছে না, ঘরোয়া ক্রিকেটে বাড়ছে ম্যাচ ফি

১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা

ঈদ ঘিরে জাল নোটের ছড়াছড়ি

বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর