বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সৎ ও দক্ষ অফিসারদের আরও বেশি কাজের সুযোগ করে দিতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ১৮, ২০২৬ ৩:৩৮ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমরা চাই সবাইকে নিয়ে দেশটিকে গঠন করার জন্য। আমরা চাই যারা সৎ ও দক্ষ অফিসার আছেন তাদের আরও বেশি করে কাজ করার সুযোগ করে দিতে।  
আজ (মঙ্গলবার) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত রাজস্ব সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের এই রাজস্ব সম্মেলন আমি একটি সাধারণ ‘সম্মেলন’ হিসেবে দেখি না। কারণ, এনবিআরের কার্যক্রমের সাফল্যের ওপরই সরকারের সকল উন্নয়ন পরিকল্পপনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের সফলতা অনেকাংশে নির্ভরশীল। সুতরাং আশা করি, আজকের এই ‘সম্মেলন’ হবে আগামী দিনে আপনাদের আরও অধিক সাফল্যের পথ নির্দেশনার ‘সম্মেলন’।
দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অভিশাপ থেকে রাষ্ট্রের অন্য সকল প্রতিষ্ঠানের মতো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও মুক্ত থাকতে পারেনি বলেও বক্তব্যে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা, কারও প্রতি বিরূপ মনোভাব কিংবা রাজস্ব আহরণে স্বেচ্ছাচারিতা এনবিআরকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল। এনবিআরের ওপর মানুষের আস্থা বিনষ্ট হয়েছিল।
ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, দেশের জনগণ বর্তমানে এনবিআরকে একটি নির্ভরযোগ্য এবং বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রত্যাশা করে। দেশের জনগণ বিশেষ করে করদাতারা এনবিআরকে তাদের আস্থাভাজন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায়। দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন সম্ভব।
এনবিআরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করদাতাদের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্ব আপনাদেরই নিতে হবে। বর্তমান সরকার এনবিআর তথা রাজস্ব কাঠামোকে জনবান্ধব হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধ পরিকর।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শুধুমাত্র বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভর করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ওপর অতিরিক্ত ঋণের বোঝা চাপিয়ে দেওয়ার নীতির বিরোধী। সুতরাং, রাজস্ব আহরণে আমাদের অবশ্যই অভ্যন্তরীণ আয়ের ক্ষেত্র এবং উৎস্য বাড়াতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আয়ের ক্ষেত্র এবং উৎস্য বাড়াতে সরকার গণমুখী উৎপাদন নীতি গ্রহণ করেছে। এর ফলে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে। ব্যবসা বাণিজ্য, শিল্পায়ন বাড়বে। মানুষের আয় বাড়বে। ব্যাপক কর্মসংস্থান হবে এবং জনগণ আরও উন্নত সরকারি সেবা পাবে। এক্ষেত্রেও এনবিআরের আরও দক্ষ এবং কার্যকর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

এবার অন্তর্ভূক্তিমূলক নববর্ষ উদযাপনের উদ্যোগ

হাতিয়ায় হান্নান মাসউদের পথসভায় হামলা, ঢাকায় বিক্ষোভ

বর্ষবরণ হবে ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক’, মঙ্গল শোভাযাত্রার নামেও আসছে নতুন পরিবর্তন!

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এনএসডিএ’র সদস্য হলেন ড. মুজিবুর রহমান

৭২ বছর বয়সে মৃত্যু, তিন বছর পর ছাত্রদলের কমিটিতে পদ

স্ত্রীর আত্মহত্যা মামলায় হাজিরা শেষে নাট্যাভিনেতা আলভী বললেন, আল্লাহ উত্তম পরিকল্পনাকারী

অপ্রতিমের জন্য শোবিজ তারকাদের আহাজারি

চাকরি স্থায়ীকরণে সাংবাদিকের বেতন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাদের সমান করার সুপারিশ

বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতকে সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে: রাশেদ খাঁন

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে ৯৭ ডলার ছুঁইছুঁই