বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিলেটে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি মাদ্রাসাশিক্ষকের

প্রতিবেদক
admin
সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬ ১২:৫৪ পূর্বাহ্ণ

সিলেটের একটি মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী দুই শিশুকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক (মুহতামিম) ফয়জুল হক। বৃহস্পতিবার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

 

এর আগে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে ফয়জুল হককে গত বুধবার আটক করে শাহপরান থানা পুলিশ। পরে নির্যাতনের শিকার এক শিশুর বাবা মামলা করেন। ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ওই শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়। ফয়জুল হকের বাড়ি সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায়। এদিকে গতকাল থেকে সিলেট সদর উপজেলার ওই মাদ্রাসা তালাবদ্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সেখানে নেই বলেও তারা জানান।

 

তবে শুধু ওই দুই শিশু নয়, মাদ্রাসাটির আরও অনেক শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কয়েকজন অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে এমন অভিযোগের কথা জানা গেছে। তাদের দাবি, কয়েকজন শিশুর শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।

 

নির্যাতনের শিকার এক শিশুর বাবার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কিছু দিন আগে মাদ্রাসার আট বছর বয়সী এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ শিশুটির অভিভাবককে ডেকে এনে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে বলে। চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর বিষয়গুলো সামনে আসে।

 

ওই শিশুর বাবা জানান, মাদ্রাসা বন্ধ হওয়ার পর তার ছেলে আর সেখানে যেতে চাইছিল না। অনেক জিজ্ঞাসা করলেও সে প্রথমে কিছু বলেনি। একপর্যায়ে মাদ্রাসায় তার সঙ্গে কী হয়েছে তা জানায়। এরপর কয়েকজন অভিভাবক মিলে মাদ্রাসায় গিয়ে অন্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন আরও কয়েকজন শিশু একই ধরনের নির্যাতনের কথা জানায়। শিশুদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতি রাতে এক থেকে দুজন শিক্ষার্থীকে হুজুরের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো। বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য শিশুদের ভয়ভীতি দেখানো হতো।

 

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও শিশুদের সঙ্গে খারাপ আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। মাদ্রাসাটি আর চালাতে দেওয়া হবে না।

 

শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মুজিবুর রহমান বলেন, দুই ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক ফয়জুল হককে গ্রেফতার করা হয়। শিশু দুটি সম্প্রতি মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে চলে আসে। তারা আর মাদ্রাসায় যেতে চাইছিল না। অভিভাবকেরা কারণ জানতে চাইলে তারা প্রতিরাতে হুজুরের কক্ষে যেতে হতো বলে জানায়। না গেলে মারধর করা হতো এবং কক্ষে গেলে তাদের সঙ্গে খারাপ কাজ করা হতো। আদালতে পাঠানোর পর ফয়জুল হক শিশুদের ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। অন্য কোনও শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে কিনা, সেটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।’

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

৭ জনের ফাঁসির রায়ের প্রতিক্রিয়ায় একটি ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ আইন কমিশনের সাবেক সদস্য ড. এম. এনামুল হক মারা গেছেন

জে-১০সিই ফাইটার বিমান কেনার দর-কষাকষি চলছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন-ভাতা কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি

কুকুরেলার চোটে রিয়ালের রক্ষণে বাড়ল দুশ্চিন্তা

ফ্যাসিস্টরা দেশকে অশান্তের চেষ্টা করছে, এতে বাতাস দিচ্ছে গুপ্ত-সুপ্তরা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে এবার আপিল বিভাগে আবেদন

হাসিনাকে ফাঁসির কাষ্ঠে নিতে জুলাই শহীদদের পরিবারই যথেষ্ট: সারজিস

দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক, তবু রোগীরা বিদেশে যান কেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী