রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

নতুন ৩ ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী

প্রতিবেদক
admin
আগস্ট ১৩, ২০২৬ ৩:৫৪ অপরাহ্ণ

জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী ২০২৯ সালের মধ্যে পায়রা, মংলা এবং হিরণ পয়েন্টে নতুন তিনটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সরকার।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এসব তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, দেশ এখন এক ধরনের বিদ্যুতের ঘাটতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমানে রাতের বেলা বিদ্যুতের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। এর একটি বড় কারণ হচ্ছে অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে ব্যাটারিচালিত রিকশার চার্জিং।
বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে সরকারের বহুমুখী প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে সরকার দ্রুতগতিতে কাজ করছে। তবে কিছু বিষয় সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকলেও দিনরাত এ নিয়ে কাজ চলছে এবং খুব দ্রুতই সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, শিল্প খাতে বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ ও সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকার ইতোমধ্যে তিনবার শিল্প উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। এই কঠিন সময়ে কাজের গতি ত্বরান্বিত করতে তিনি সকলের নৈতিক সমর্থন আহ্বান জানান।
নবায়নযোগ্য শক্তির ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী জানান, সৌরবিদ্যুৎ (সোলার) প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে জাতীয় পর্যায়ের বিশাল বিদ্যুৎ ঘাটতি অনেকাংশে কমে আসবে। সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সুযোগ ও উৎসকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। শিল্পকারখানা সচল রাখার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইন্ডাস্ট্রি না চললে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি থমকে যাবে। তাই সরকার সব দিক থেকেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটে শিল্প খাতের দুরবস্থার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের আয় কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ইতোমধ্যে কারখানাগুলোর উৎপাদন ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
ব্যবসায়ী নেতা আরও প্রশ্ন তোলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকঠাক না থাকলেও বিল ও কর্মীদের বেতন নিয়মিত পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিল্পমালিকদের লোকসান ও দায় কে নেবে? সরকার পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু তার খেসারত জনগণ বা ইন্ডাস্ট্রি কেন দেবে? অবিলম্বে উদ্যোক্তাদের সমস্যার সমাধান ও প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

সর্বশেষ - শীর্ষ নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

স্বৈরাচারের দোসররা পুনর্বাসনের সুযোগ পায়, এমন পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না : তারেক রহমান

গ্রিনল্যান্ডের ওপর ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ অর্জন করেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে বড় বিনিয়োগ, আইএসডিবির সঙ্গে চুক্তি

প্রথমবার জাতীয় সংসদের নিজ অফিসে মির্জা আব্বাস

ড্রেসিংরুমে কান্নায় ভেঙে পড়লেন রোনালদো

পল্লী বিদ্যুতের ছেঁড়া তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল আরেক ভাইয়ের

পালানোর অভিযোগে চাকরি গেল পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তার

বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ

বাংলাদেশে ৩৯০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কানাডা

ব্রিকসের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ‘ট্রইকা’ ব্যবস্থা চান নরেন্দ্র মোদি