রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় তাজুলের দুই সহযোগী গ্রেপ্তার

প্রতিবেদক
Ajker Dhara 24
অক্টোবর ৩১, ২০২৬ ৮:৩৪ অপরাহ্ণ

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) ভোরে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর বাজার এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করে নেত্রকোনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন- ইমরান ইসলাম ওরফে ইমন (২৪) ও মো. সাব্বির আহম্মেদ (২৫)।

ইমরান দুর্গাপুর পৌরসভার মোক্তারপাড়া এলাকার এবং সাব্বির একই উপজেলার তেরিবাজার এলাকার বাসিন্দা।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ডিবি পুলিশের সহযোগিতায় ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন তাজুল ইসলামের সহযোগী। হত্যাকাণ্ডে তাঁদের সম্পৃক্ততা আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদেরকে এখনো দুর্গাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়নি।

ওসি আরও বলেন, তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। আলিফের ওপর গত বছরের ১০ নভেম্বর যে হামলা হয়, সেই ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন ইমন। এ ছাড়া হত্যা মামলার তদন্তে ইমনের নাম উঠে আসে। ইমন ও সাব্বিরের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধের একাধিক মামলা আছে।

এ নিয়ে সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হলো। এর আগে ১৮ অক্টোবর সাজিবুল ইসলাম ওরফে অপূর্বকে এবং ২০ অক্টোবর রাতে আশিকুর রহমান ওরফে প্রাঙ্গণকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালত তাঁদের দুজনকেই পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছিলেন। এখন তারা কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে সাংবাদিক আলিফ হত্যার বিচারের দাবিতে আজ শনিবার দুপুরে নেত্রকোনা শহরে মানববন্ধন করেছেন সাংবাদিকেরা। শহরের মোক্তারপাড়া এলাকায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাব, নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে বক্তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।

গত ১৫ অক্টোবর রাতে দুর্গাপুর উপজেলা তেলনজিয়া এলাকায় গুলিতে সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির নিহত হন। ঘটনার পরদিন আলিফের স্ত্রী আনন্দিতা সাংমা ওরফে খাদিজা আক্তার বাদী হয়ে দুর্গাপুর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আটজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

নিহত আলিফ বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল রূপসী বাংলার নেত্রকোনা প্রতিনিধি ছিলেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ডিটেকটিভ আর্টিকেল’ নামে একটি ফেসবুক পেজ চালাতেন। ওই পেজে সীমান্ত এলাকায় চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে লিখালিখি করতেন।

ছবি- গ্রেপ্তার ইমন ও সাব্বির

সর্বশেষ - শীর্ষ নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

আমার বাবার ক্রাশ ছিলেন, এখন আমার ক্রাশ!

চুয়াডাঙ্গায় ঘুমন্ত অবস্থায় সাপের কামড়ে কিশোরের মৃত্যু

এনসিপির নেতা মাসউদের পথসভায় বিএনপির হামলার অভিযোগ

রাজধানীর বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

লংমার্চ থেকে ফিরেই জামায়াতে ইসলামীর আমির আবার সরকারের সাফাই গাইবেন বলে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘লংমার্চে গিয়ে এতো এতো কসরত, ভোগান্তি আর প্রাণহানির প্রয়োজন আছে কী? ঠিকই তো লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের পক্ষে সাফাই গাইবেন!’ শনিবার (৩১ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেছেন, আজকে জামায়াতের লংমার্চে বাস দুর্ঘটনায় একজন পথচারী নিহতের ঘটনা ঘটেছে। নিজেদের অনেক নেতাকর্মীও মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। যান চলাচল বন্ধ করে লংমার্চ করায় জনমানুষের ভোগান্তির চিত্রও মিডিয়ায় দেখলাম। আরও পড়ুন ডা. শফিকুর রহমান / ‘সাত দফা না মানলে এক দফার আন্দোলন অনিবার্য’ আমি কোনো পত্রিকা ছিঁড়িনি, মিথ্যা ন্যারেটিভ প্রত্যাখ্যান করেছি: রাশেদ খাঁন পোস্টে আব্দুল কাদের বলেন, অনেককে দেখলাম কৌশল হিসেবে পদযাত্রায় বারবার পাঞ্জাবী চেঞ্জ করেছেন, হেলমেটের আশ্রয়ও নিয়েছেন। এতো এতো কসরত, ভোগান্তি আর প্রাণহানির প্রয়োজন আছে কী? ঠিকই তো লংমার্চ থেকে ফিরে আমিরে জামায়াত সংসদে দাঁড়িয়ে সরকারের পক্ষে সাফাই গাইবেন! তিনি লিখেন, নির্বাচন পরবর্তীতে কিংবা আগামী স্থানীয় নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াত যদি তার তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মোলাকাত করে তাদেরকে চাঙ্গা করতে চায়, সেক্ষেত্রে তারা দলীয় ব্যানারে ভিন্ন নামে ভিন্ন কর্মসূচি দিতে পারে। এতে করে লংমার্চ নামক সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্মসূচিটাকেও খেলা করা হইল না, জনমানুষের ভোগান্তিও হইল না, প্রাণহানীও ঘটলো না। তিনি আরও লেখেন, তবে সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন দেনদরবারে একটু বিপাকে পড়তে পারে, সেটা ছুটির দিনে ঢাকায় একটা বিক্ষোভ কর্মসূচি দিয়ে পুষিয়ে নিতে পারবে। আশাকরি, আমিরে জামায়াত বিষয়টা বিবেচনায় রাখবেন।

অনুমোদিত স্থান ছাড়া সড়ক-ফুটপাতে হকার বসলেই মালামাল ক্রোক ও মামলা

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান

‘স্যরি’ বললেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায়?

অস্ট্রেলিয়ার ক্যামডেন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র হলেন এলিজা

ট্রাম্পের ছেলে ব্যারনকে হত্যায় ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা