রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

জাতীয়করণকৃত শিক্ষকরা কার্যকর চাকরিকাল ধরে জ্যেষ্ঠতা দাবি করতে পারবেন না

প্রতিবেদক
admin
অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ৭:০২ অপরাহ্ণ

আপিল বিভাগের দেয়া এক পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, পূর্বের অর্জিত ৫০ শতাংশ ‘‌কার্যকর চাকরি কাল’ প্রয়োগ করে জাতীয়করণকৃত শিক্ষকরা সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপর জ্যেষ্ঠতা দাবি করার আইনি ভিত্তি নেই।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করা হয়।

এর আগে, গত ২ জুলাই প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ সরকারের দায়ের করা সিভিল আপিল মঞ্জুর করে এই রায় দেন।

পুর্নাঙ্গ রায়ে আপিল বিভাগ বলেন, ২০১৩ সালের জাতীয়করণকৃত শিক্ষক বিধিমালা অনুযায়ী, শিক্ষকদের পূর্বের অর্জিত ৫০ শতাংশ ‘কার্যকর চাকরি কাল’ গণনা কেবল জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিজেদে‘র মধ্যকার পারস্পরিক জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হবে। সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপর এই ‘কার্যকর চাকরি কাল’ প্রয়োগ করে জ্যেষ্ঠতা দাবি করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

আদালত স্পষ্ট করেন যে, সার্ভিস জুডিশিয়াল নীতি অনুযায়ী সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা তাদের প্রাথমিক নিয়োগের তারিখ থেকে সংরক্ষিত থাকে। অন্যদিকে, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের অবস্থান নির্ধারিত হবে জাতীয়করণের অব্যবহিত পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ সরাসরি শিক্ষকের নিচে, যা কোনোভাবেই বৈষম্যমূলক বা স্ববিরোধী নয়।

জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিচে না রাখা এবং তাদের পূর্বের মতো প্রধান শিক্ষক হিসেবে গণ্য চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন তালিকাভুক্ত বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশ। পরে ২০১১ সালে বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুবের হাইকোর্ট বেঞ্চ, ২০১৩ বিধিমালার ২(গ) বিধিকে বৈধ ঘোষণা করে, তবে ৯(১) বিধির একটি অংশ, এবং উক্ত তারিখে অব্যাবহিত পূর্বে নিয়োগ বিধির অধীন শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে উক্ত শিক্ষকের অবস্থান নির্ধারিত হইবে এই বিধান আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ও বেআইনি ঘোষণা করেন। এবং রিট আবেদনকারীকে প্রধান শিক্ষক পদে গণ্য করে সে অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও সুবিধা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে সেই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে আপিল দায়ের করে সরকার। জাতীয়করণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এবং সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্তদের নিচে তাদের অবস্থান দেওয়া সংক্রান্ত বিধিমালার বৈধতা বজায় রাখেন আপিল বিভাগ।

প্রধান শিক্ষক পদ দাবি করার বিষয়ে আপিল বিভাগ বলেন, রিট আবেদনকারীরা ২০১৩ সালের ১০ নভেম্বরের যে অফিস আদেশের মাধ্যমে সহকারী শিক্ষক হিসেবে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা সেই আদেশ বা পরবর্তী অন্যান্য সরকারি সিদ্ধান্তসমূহ চ্যালেঞ্জ করেননি। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাইয়ের পরিপত্র অনুযায়ী, প্রধান শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি বা এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় বিধিবদ্ধ শর্তাবলী (যেমন: মহাপরিচালকের অনুমোদন) পূরণের কোনো দাফতরিক প্রমাণ তারা উপস্থাপনও করতে পারেননি। সংবিধিবদ্ধ আইনগত অধিকারের অনুপস্থিতিতে কেবল আদেশের মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক হিসেবে গণ্য করার দাবি আইনিভাবে টেকসই নয় বলে মন্তব্য করেন আপিল বিভাগ।

সর্বশেষ - শীর্ষ নিউজ

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভিসা’র এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ: ডিজিটাল পেমেন্ট ও ই-কমার্সের অগ্রযাত্রায় যৌথ অংশীদারিত্বের নতুন দিগন্ত I

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সময় নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত : ডা. জাহেদ

পুলিশকে অবহেলা করে দেশ গড়া যাবে না: ড. ইউনূস

ডেঙ্গুতে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৫৯৩

নারায়ণগঞ্জে আ. লীগ ও বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০

বন্যার ১০ দিন পর টানেল থেকে চীনা নাগরিককে জীবিত উদ্ধার

অপসারণ নয়, বাধ্যতামূলক অবসর

পাকিস্তানকে আবারও সহজেই হারিয়ে দিল বাংলাদেশ

গ্রাম পুলিশের বেতন-ভাতা ও অবসরকালীন সুবিধা বাড়াল সরকার

দীর্ঘ ১০ বছর পর ওটিটিতে রাজ-তুষির প্রথম সিনেমা