রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬ | ২৩শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Uncategorized
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. ইসলাম
  6. কর্পোরেট
  7. কর্মখালি
  8. ক্রীড়াঙ্গন
  9. খাদ্য ও কৃষি
  10. খেলাধুলা
  11. গণমাধ্যম
  12. তথ্যপ্রযুক্তি
  13. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
  14. ধর্ম
  15. নারী ও শিশু

অভিযান থামাতে তদবির করেছিলেন অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের

প্রতিবেদক
admin
অক্টোবর ২০, ২০২৬ ৮:২১ অপরাহ্ণ

রাজধানীর ভাটারা থানার একটি আবাসিক এলাকায় অবস্থিত অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক আবদুল্লাহ আল জহিরের ভাড়া দেওয়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এসময় অভিযান থামাতে তদবির করেছিলেন জহিরুল।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ডিবি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র বলছে, পূর্বাচলে জহিরের মালিকানাধীন একটি বাসা গত এক বছর ধরে মাদক সেবন, মাদক কারবার ও রাতভর ডিজে পার্টির আখড়া হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ উঠে। গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অভিযানে ওই বাসা থেকে মাদক সেবনকারী ও আয়োজকসহ ৮৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে আফগানিস্তানের এক নাগরিকও রয়েছেন।

জানা গেছে, এয়ারবিএনবির মাধ্যমে বাসাটি ভাড়া দেওয়া হলেও সেখানে নিয়মিত মাদক সেবন, মাদক কেনা-বেচা এবং ডিজে পার্টির আয়োজন করা হতো। বিশেষ করে রাতভর সেখানে মদ, ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনের আসর বসত। একই সঙ্গে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণীদের নিয়ে অশ্লীল নৃত্যসহ রাতভর আনন্দ-উল্লাসের আয়োজন করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, টানা প্রায় এক বছর ধরে ওই বাসায় এ ধরনের কর্মকাণ্ড চলছিল। বাসাটি এয়ারবিএনবির মাধ্যমে ভাড়া দেওয়ার পর একজন হোস্ট ও একজন কো-হোস্টের মাধ্যমে এর কার্যক্রম পরিচালিত হতো। এ ঘটনায় কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকে আটক করেছে ডিবি। অভিযানে ওই বাসা থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ, কনডম এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে বলে ডিবি সূত্র জানিয়েছে।

গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের ডিসি ইলিয়াস কবির জানান, ‘বাসাটি এয়ারবিএনবির মাধ্যমে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল। একজন কো-হোস্ট ও হোস্টের মাধ্যমে সেটি পরিচালিত হচ্ছিল। কো-হোস্ট মাহবুবুল আলমকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে কয়েকজন তরুণী রয়েছেন। যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। তাদের ছবি প্রকাশ বা নাম ঠিকানা প্রকাশ করার আইনগত সুযোগ নেই।’

ডিবির একটি সূত্রের দাবি, কো-হোস্টকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির তদবির করেছিলেন। তবে, পুলিশ সদস্য ও ডিএমপির কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন এবং অভিযান শেষে ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেন। এতে সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাত থেকে অভিযান শুরু করে শেষ করতে মঙ্গলবার সকাল হয়ে যায়। এমনকি যাচাই-বাছাই করে মামলার প্রস্তুতি সন্ধ্যা পর্যন্ত সম্পন্ন করতে পারেনি।

ডিবির এক সূত্র বলছে, ‘অতিরিক্ত ডিআইজির প্রভাব ও ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ওই বাসায় মাদক কারবারিদের একটি আখড়া গড়ে উঠেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। সেখানে মাদক সেবন ও রাতভর আনন্দ-উল্লাসের সুযোগ করে দিয়ে অর্থ আদায় করা হতো বলেও অভিযোগ রয়েছে।’ সূত্র বলছে, এসব কর্মকাণ্ড থেকে উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বণ্টন করা হতো এবং প্রায় ৭০ শতাংশ টাকা অতিরিক্ত ডিআইজির তহবিলে জমা পড়ত বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ - Uncategorized

পাঠকপ্রিয় - Uncategorized

আপনার জন্য নির্বাচিত