বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ৯ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাবির এক শিক্ষকের পড়ানোকে বিটিভির খবরের সঙ্গে তুলনা করতাম: মনিরা শারমিন

প্রতিবেদক
admin
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬ ৭:৪০ অপরাহ্ণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষকের পড়ানোর স্টাইলকে বি টিভি র খবরের সঙ্গে তুলনা করে অতীত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। ওই শিক্ষকের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
পোস্টে তিনি লেখেন, আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে একটি স্বনামধন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় মাস্টার্স করেছি। সেখানে গিয়ে আমার প্রথমবারের মত মনে হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিস্টেম তো এমনই হওয়া উচিত! বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সারাবছরের একটা ক্যালেন্ডার থাকে। সেই টাইমলাইনে আপনি দেখতে পাবেন, আপনার সেমিস্টার ফাইনাল কবে, কতদিনের মধ্যে রেজাল্ট দিবে, কবে থেকে সেমিস্টার ব্রেক ইত্যাদি।
এনসিপি নেত্রী লেখেন, তিন মাস একটা করে সেমিস্টার। ফাইনাল পরীক্ষার সময় অথবা রেজাল্ট দেয়ার আগে একদিন টিচার ইভ্যালুয়েশন ফর্ম আমাদের ফিলাপ করতে হত। আমরা বলতাম, ওইদিন শিক্ষকদের পরীক্ষা। আমরা শিক্ষকদের মূল্যায়ন করতাম। প্রশ্ন থাকত মূলত তিন ধরনের। প্রথমত, শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, অর্থাৎ তিনি কি উক্ত বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান রাখেন? দ্বিতীয়ত, প্রেজেন্টেশন পারফরম্যান্স। তার বক্তব্য কি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করে? তার কথা কি ক্লিয়ার বোঝা যায়? তিনি কি বোঝাতে গিয়ে টেক্সটবুকের বাইরের উদাহরণ দেন? তৃতীয়ত, আপনি কি মনে করে এই শিক্ষককে পরবর্তীতে আবার ক্লাস দেওয়া উচিত?
মনিরা শারমিন লেখেছেন, অথচ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে পড়ার সময় অনেক ক্লাস আমরা করতাম শুধু উপস্তিতির ৫ নাম্বারের জন্য। সেখানে শিক্ষক পছন্দ অপছন্দের কোন সুযোগই ছিল না। একজন শিক্ষকের কথা মনে আছে। তার পড়ানোকে আমরা বি টিভি র খবরের সাথে তুলনা করতাম। উনি স্যুট টাই পড়ে এসে বসতেন, স্লাইড চলত পেছনে, উনি স্লাইড দেখে পড়তেন। যোগ্যতা? উনি চেয়ারম্যানের আত্মীয়।
তিনি আরও লেখেন, এই হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা। আমি দৃঢ়ভাবে মনে করি, শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ থাকা উচিত। এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও জানেন। কারণ, তারাই যখন মোটা অংকের খামের বিনিময়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি শিক্ষক বনে যান, তখন তারা এই শিক্ষক মূল্যায়ন ফর্ম নিয়ে শিক্ষার্থীদের পিছে পিছে ঘোরেন। তবে এটি হওয়া উচিত, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালার মধ্যে থেকে। কিন্তু যতদিন এটা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে হচ্ছে না, ডাকসুর উদ্যোগে হোক! খারাপ কি! অন্তত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীরাও শিক্ষক মূল্যায়নের সুযোগ পাক!

সর্বশেষ - জাতীয়

আপনার জন্য নির্বাচিত

এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি- আমরা দিতাম

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, ঢাকাসহ ১৫ অঞ্চলে রাতে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আভাস

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

ছবি: সংগৃহীত

সবার মানবাধিকার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জুলাই আন্দোলনে গুলি: সহকারী কমিশনার সাইফুল গ্রেফতার

জনগণের ভোগান্তি নিরসনে লং মার্চে অংশ নিচ্ছে এনসিপি : আখতার হোসেন

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

মোদি ও তার শাসকদলকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ শ্রীলেখার

মোদি ও তার শাসকদলকে ‘স্বৈরাচারী’ আখ্যা দিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ শ্রীলেখার

‘নারী ও শিল্পীদের প্রতি দিন দিন মানুষ নিষ্ঠুর হয়ে যাচ্ছে’

ছাত্রদল না থাকলে জামায়াত-শিবিরকে পিটিয়ে আবারও গুপ্ত বানিয়ে দেবে ছাত্রলীগ: রাশেদ খাঁন

আরেকটি ১/১১ হতে দেওয়া হবে না: নাহিদ ইসলাম